সৌমিক চট্টোপাধ্যায়
পড়াশোনা মানে ধারণা ভোগ করা নয়; ধারণাকে সৃষ্টি ও পুনর্সৃষ্টি করা—বক্তব্যটি দক্ষিণ আমেরিকার দার্শনিক পাওলো ফ্রেইরের। ব্রাজিলের সামরিক শাসনের পটভূমিতে সাক্ষরতা, গণশিক্ষা, রাজনৈতিক সচেতনতা ও মুক্তিকামী শিক্ষার ধারণা ব্যাখ্যা করেছিলেন তিনি।
Table of Contents
জাতীয় শিক্ষানীতি: রাষ্ট্র ঠিক করবে কে কী পড়বে
ভারতের জাতীয় শিক্ষানীতি, ২০২০ কার্যত গোটা দেশের জন্য একটি অভিন্ন, একমাত্রিক শিক্ষা কাঠামো তৈরি করেছে। ফলে এই দেশে একজন শিক্ষার্থী স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে কী পড়বে, তা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করবে রাষ্ট্র, সরকার এবং শাসকদল। এই রাজ্যে ক্ষমতায় এসেই রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে—লেখাপড়া হবে হুবহু জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসরণ করে।
তবু নিয়ন্ত্রণে ফাঁক থেকে যায়। কে পড়াবেন? কে বিশ্ববিদ্যালয় চালাবেন? কোন গবেষণায় অর্থ যাবে? কোন জ্ঞানকে ‘জাতীয়’ বলে মর্যাদা দেওয়া হবে? কোন শিক্ষা ‘দিমাগী নকশাল’ তৈরি করবে? প্রশ্নগুলি যে কোনও শাসকের কাছেই বিপজ্জনক। তবে সর্বগ্রাসী ছোবলে বিশ্বাসী শাসক সম্ভাবনাকে গোড়া থেকেই উপড়ে ফেলতে চাইবে। ফ্যাসিবাদ এ ভাবেই কাজ করে।
কী পড়বে না, কারা পড়াবেন?
মিলেনিয়াল বা জেন-জি বাঙালিও পড়েছে, শুনেছে। এখন প্রত্যক্ষ করছে। তাই ‘কী পড়বে’ নিয়ন্ত্রণ করলেই হবে না। ‘কারা পড়াবেন’—সেটাই গোড়ার প্রশ্ন। নিয়ন্ত্রণও সেখানে বেশি জরুরি। মতাদর্শ সব সময় স্লোগান হয়ে ক্লাসরুমে ঢোকে না। কখনও ঢোকে নিয়োগপত্র, বদলির নির্দেশ, গবেষণা-অনুদান এবং প্রশাসনিক বিধির মাধ্যমে।
পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয়-সংশোধনী বিল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থা’-কেন্দ্রিক গবেষণা নীতিকে পাশাপাশি রাখলে প্রশ্নটি তাই শুধু শিক্ষা-সংস্কারের নয়। প্রশ্নটি এসে দাঁড়ায় শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের স্বায়ত্তশাসন বনাম রাষ্ট্রের মতাদর্শগত ক্ষমতার দ্বন্দ্বে।
ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬—১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিধানসভায় পেশ হয়ে পাসও হয়েছে। অর্থাৎ, এটি এখন আর শুধু প্রস্তাবিত বিল নয়। নতুন ১৪এ ধারায় ‘প্রশাসনিক কারণ’-এর ভিত্তিতে আচার্য, তথা রাজ্যপালকে বদলির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
সরকারের যুক্তি—নতুন বা শিক্ষক-স্বল্প বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ শিক্ষক পাঠিয়ে মানবসম্পদের সুষম বণ্টন। যুক্তিটি প্রশাসনিক ভাবে অগ্রাহ্য করার নয়। কিন্তু গণতন্ত্রে কোনও ক্ষমতার মূল্যায়ন শুধু তার ঘোষিত উদ্দেশ্য দিয়ে হয় না; তার সম্ভাব্য ব্যবহার দিয়েও হয়।
যে রাষ্ট্র শিক্ষককে নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি ও চাকরির পরিবেশের মাধ্যমে প্রভাবিত করতে পারে, সেই রাষ্ট্র সরাসরি কোনও মতাদর্শের কথা না বলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বৌদ্ধিক পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে। মতাদর্শ সব সময় পাঠ্যবইয়ে লেখা থাকে না। আদতে থাকে ক্ষমতার কাঠামোয়।
আরও পড়ুন: পিতৃতন্ত্র ২.০: শুধু ‘পিতার শাসন’ নাকি, ক্ষমতার অ্যালগরিদম?
১৯৩৩-এর নাৎসি জার্মানির দিকে তাকানো যাক। ৩০ জানুয়ারি অ্যাডলফ হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর হওয়ার পর কয়েক মাসের মধ্যেই জার্মান গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানগুলিকে নাৎসি রাষ্ট্রের সঙ্গে ‘সমন্বিত’ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই প্রক্রিয়ার জার্মান নাম ছিল গ্লাইখশাল্টুং—অর্থাৎ রাষ্ট্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে শাসক মতাদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা।
৭ এপ্রিল ১৯৩৩-এ পাশ হয় ‘পেশাদার সরকারি পরিষেবা পুনঃপ্রতিষ্ঠা আইন’। নামটি শুনতে নিরীহ। বাস্তবে এই আইন হয়ে উঠেছিল রাজনৈতিক ও জাতিগত শুদ্ধিকরণের অন্যতম হাতিয়ার। তথাকথিত ‘অনার্য’ কর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি, যাঁদের কাছ থেকে নাৎসি রাষ্ট্রের প্রতি ‘নিঃশর্ত সমর্থন’ আশা করা যায় না, তাঁদেরও বরখাস্ত করার সুযোগ তৈরি হয়। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীরাও এই আইনের আওতায় ছিলেন।
তার অভিঘাত পড়েছিল জার্মানির প্রথম সারির শিক্ষাবিদদের উপর। ফ্রাঙ্কফুর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ সোশাল রিসার্চ ছিল তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাদ, শ্রমিক আন্দোলন, সমাজ ও মার্কসীয় চিন্তার সমালোচনামূলক গবেষণার জন্য পরিচিত হয়ে ওঠে। সমাজতাত্ত্বিক ম্যাক্স হর্কহাইমার এই প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি আরও শক্তিশালী বৌদ্ধিক কেন্দ্রে পরিণত হয়।
নাৎসিরা ক্ষমতায় আসার পর ১৯৩৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয় এবং অধ্যাপক হর্কহাইমারের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে। হর্কহাইমার-সহ গবেষকদের দেশ ছাড়তে হয়।
হর্কহাইমারের গুরুত্ব শুধু তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানে নয়। তাঁর নেতৃত্বেই গড়ে উঠছিল সমালোচনামূলক তত্ত্ব। লক্ষ্য ছিল সমাজ, পুঁজিবাদ, রাষ্ট্র, সংস্কৃতি এবং ক্ষমতার সম্পর্ককে প্রশ্ন করা। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় এখানে শুধু জ্ঞান বিতরণের জায়গা ছিল না। ক্ষমতাকে দেখতে, চিনতে এবং প্রশ্ন করতে শেখাত এই প্রতিষ্ঠান। নাৎসি রাষ্ট্রের কাছে এমন স্বাধীন সমালোচনামূলক চিন্তার পরিসর, বলাই বাহুল্য, অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছিল।
আরও স্পষ্ট উদাহরণ সমাজবিজ্ঞানী থিওডোর ভি. আদর্নো। ফ্রাঙ্কফুর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত এই অধ্যাপকের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর অনুমোদন ১৯৩৩ সালে বাতিল করে দেয় তৎকালীন জার্মানির নাৎসি সরকার। এই সিদ্ধান্তের ফলে তাঁর গবেষণা ও শিক্ষকতা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। তাঁকেও জার্মানি ছাড়তে হয়।
আরও একটি উল্লেখযোগ্য নাম পল টিলিখ। ফ্রাঙ্কফুর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজদর্শন ও ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক টিলিখ নাৎসি রাজনীতির সমালোচক ছিলেন। ১৯৩৩ সালে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
ফলত বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকার যোগ্যতা ধীরে ধীরে শিক্ষাগত যোগ্যতার মানদণ্ড থেকে জাতিগত পরিচয় এবং রাজনৈতিক অবস্থানে পরিবর্তিত হয়ে যায়।
তার পর আসে ছাত্রসমাজ। নাৎসি ছাত্র সংগঠনগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ে নাৎসি মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার অন্যতম বাহন হয়ে ওঠে। ১০ মে ১৯৩৩-এ জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নেতৃত্বে ‘জার্মান-বিরোধী’ বলে চিহ্নিত বই প্রকাশ্যে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ১৯৩৪ সালে স্বাধীন ছাত্র সংগঠনগুলিও নাৎসি ছাত্র সংগঠনের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজায় তখন তিনটি প্রশ্ন—কে পড়বে, কে পড়াবে এবং কী পড়ানো হবে। তিনটির উত্তরই ক্রমশ রাষ্ট্রের জাতিগত ও রাজনৈতিক মতাদর্শ দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়।
নাৎসিরা প্রথমদিনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে বদল আনেনি
ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা এখানেই। নাৎসিরা প্রথম দিনেই বলেনি, ‘বিশ্ববিদ্যালয়কে নাৎসি বানাও।’ তারা প্রথমে বলেছিল—কারা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে পারবেন, সেটি আমরা ঠিক করব। তারপর ধীরে ধীরে প্রশ্নটি বদলে গেল। বিশ্ববিদ্যালয় কী নিয়ে ভাববে, কী নিয়ে গবেষণা করবে এবং কোন জ্ঞান ‘জার্মান’ বলে স্বীকৃত হবে, সেটিও রাষ্ট্র ক্ষমতা ঠিক করতে শুরু করল।
বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থাকে উচ্চশিক্ষার একটি বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে। বৈদিক গণিত, প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞান, যোগ, আয়ুর্বেদ, সংস্কৃত, ভারতীয় দর্শন ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান নিয়ে গবেষণা ও পৃথক সরকারি অর্থায়নের ব্যবস্থা হয়েছে।
এখানে আপত্তি গবেষণার বিষয় নিয়ে নয়। বেদ, উপনিষদ, যোগ, আয়ুর্বেদ বা প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা অবশ্যই হোক। কিন্তু গবেষণা যেন প্রমাণের অনুসরণ করে। প্রমাণ যেন আগে থেকে তৈরি কোনও সভ্যতাগত শ্রেষ্ঠত্বের সিদ্ধান্তের অনুসরণ না করে।
রাষ্ট্র যখন নির্দিষ্ট জ্ঞানকে বিশেষ অর্থায়ন করে, তখন সে শুধু গবেষণার বিষয় বেছে দেয় না। জ্ঞান উৎপাদনের অগ্রাধিকারও নির্ধারণ করে। কোন প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ, কোন গবেষণা অর্থ পাবে, কোন জ্ঞান জনপরিসরে বেশি দৃশ্যমান হবে—রাষ্ট্রের অর্থায়ন সেই ক্ষেত্রগুলিকে প্রভাবিত করে।
একাডেমিক ফ্রিডম ইনডেক্সের সূচকে ভারত-সংক্রান্ত পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক। সর্বশেষ প্রকাশিত মূল্যায়নে ভারত ১৭৯টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে ১৫৬তম, স্কোর ০.১৪। এই সূচকে গবেষণা ও শিক্ষাদানের স্বাধীনতা, শিক্ষাবিদদের মতবিনিময়, প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন, ক্যাম্পাসের অখণ্ডতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মতো বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে।
মুক্ত চিন্তাকে নিরাপদ মনে করছে না শাসক?
যখন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান বিধানসভায় অধিবেশন চলাকালীন একটি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম করে হুঁশিয়ারি দেন, তখন ধরে নেওয়াই যায়, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত চিন্তার পরিসর, গবেষণার পরিসর, স্বায়ত্তশাসন এবং স্বাধীনতাকে রাজ্য সরকার তথা শাসক দল নিরাপদ মনে করছে না। যদিও জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি বারবার বৌদ্ধিক উৎকর্ষের প্রমাণ দিয়েছে।
আসলে সমস্যাটি একটি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বনাম একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের সংঘাত—এমনটা ভাবলে অন্ধত্ব থাকে।
আরও পড়ুন: একটা ইমেইল লিখতে খরচ ১ বোতল জল! সাহায্য করার নামে আপনাকে বিপদে ফেলছে AI?
বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ রাষ্ট্রের মুখপাত্র তৈরি করা নয়; রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করতে পারে এমন নাগরিক তৈরি করা। শিক্ষককে অনুগত নয়, স্বাধীন হতে হয়। গবেষণাকে গৌরবের প্রমাণ নয়, সত্যের অনুসন্ধান হতে হয়। ছাত্রকে উত্তর মুখস্থ নয়, প্রশ্ন করতে শেখাতে হয়।
তাই পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা সংশোধনী বিলের আসল প্রশ্ন—শিক্ষক বদলি হবেন কি না—তা নয়। আসল প্রশ্ন, বদলির ক্ষমতার সঙ্গে কি স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীন জ্ঞানচর্চার সুরক্ষা থাকবে?
বদলির ক্ষমতা থাকলে তার সঙ্গে স্বচ্ছ নিয়ম ও স্বাধীন প্রতিকারের ব্যবস্থা থাকতে হবে। গবেষণায় সরকারি অর্থ থাকলে স্বাধীন মূল্যায়ন ও বৈজ্ঞানিক যাচাই থাকতে হবে। ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থা পড়ানো হলে তার সঙ্গে সমালোচনামূলক ইতিহাসও পড়াতে হবে।
আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিন্নমতকে ‘দেশবিরোধিতা’র তকমা দেওয়া শুরু হলে প্রশ্ন উঠবেই—প্রশাসন কি তখন শিক্ষাকে পরিচালনা করছে, না কি মতাদর্শকে প্রশাসনের মাধ্যমে শিক্ষার ভিতরে ঢুকিয়ে দিচ্ছে?
নাৎসি জার্মানির ইতিহাসের অন্যতম সবচেয়ে বড় শিক্ষা এখানেই। বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথমে চুপ করানো হয়নি; প্রথমে তার কাঠামো বদলানো হয়েছিল। বদলানো হয়েছিল নিয়োগের নিয়ম। বদলানো হয়েছিল পাঠক্রম। ফলস্বরূপ বদলে গিয়েছিল ছাত্ররাজনীতি, চিন্তার প্রক্রিয়া, তারপর জ্ঞানের বৈধতার সংজ্ঞা।
লেখক পরিচিতি
সৌমিক চট্টোপাধ্যায় কলকাতার কাশীপুরের জৈন কলেজের সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি একজন প্রাবন্ধিক।
Unknown Story-কে ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন

