Site icon Unknown Story

2002 Voter List Name Check: ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম আছে তো? কীভাবে দেখবেন? জানুন Step-By-Step গাইড

2002 Voter List Name Check

2002 Voter List Name Check: পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR শুরু হয়ে গেছে। ভোটার তালিকা পরীক্ষা থেকে শুরু করে ভুয়ো ও মৃত ভোটারদের বাদ দেওয়ার কাজ চলবে। পাশাপাশি বেআইনিভাবে ভিন দেশ থেকে ভারতে এসে যারা ভোটাধিকার পেয়েছে তাদেরও দেখা হবে।

এই SIR প্রক্রিয়ায় আপনার বাড়িতেও আসবেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা। এখানে আপনার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর এটার নিয়েই নাগরিকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল। এই সংশোধনের সময় ভোটার তালিকায় নাম রাখতে বা যুক্ত করতে গেলে ১১টি নথির তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে সবার আগে দরকার ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় (2002 Voter List Name Check) আপনার না হলে আপনার মা-বাবার নাম আছে কি না তা দেখা। কীভাবে চেক করবেন? জেনে নিন এই প্রতিবেদনে-

সবার আগে জেনে নিন, আপনার বা আপনার পরিবারের কোনও সদস্যের নাম যদি ২৩ বছর আগের, অর্থাৎ ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় থাকে, তবে নতুন করে ঠিকানার প্রমাণ বা অন্য কোনও নথির প্রয়োজন নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কেবল এনুমারেশন ফর্ম (Enumeration Form)-এ সেই ২৩ বছর আগের কোন বিধানসভা, কোন বুথে এবং কত নম্বর সিরিয়ালে নাম ছিল, তা উল্লেখ করতে হবে। এই সহজ পদ্ধতিটি অবলম্বন করেই ভোটার তালিকায় আপনার নাম সুরক্ষিত রাখা যাবে।

কিন্তু ২৩ বছর আগের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিটি কীভাবে খুঁজে পাওয়া সম্ভব? জানুন পরের পয়েন্টে-

কেন ২০০২ সালের ভোটার তালিকা এত গুরুত্বপূর্ণ? (2002 Voter List Name Check)

শেষবার SIR হয়েছিল ২০০২ সালেই। তাই সেবারের তালিকা দেখা হচ্ছে। ২৩ বছরের পুরোনো রেকর্ড হলেও তা অ্যাক্সেস করা যাবে।

5 মিনিটে বাড়ি বসেই করে নিন ভোটার কার্ড সংশোধন, রইল Step-by-Step গাইড

SIR এবং এনুমারেশন ফর্মের সংযোগ

আসলে নির্বাচন কমিশন, পুরোনো ভোটারদের নাম সংরক্ষণের জন্য সেই ২০০২ সালের তালিকাটিকে একটি সূচক হিসেবে ব্যবহার করছে। এই তালিকায় আপনার বা আপনার পরিবারের সদস্যদের নাম বিশেষ করে মা-বাবার থাকতে হবে। যদি মিলে যায়, তা হলে আপনার আর কোনও সমস্যা নেই।

গুরুত্বপূর্ণ ভোটার কার্ড

কীভাবে দেখবেন ২০০২ সালের ভোটার তালিকা?

২৩ বছর আগের ভোটার তালিকা খোঁজা মানে যে সরকারি অফিসে ঘুরতে হবে এমনটা নয়। হতে পারে সেই সময় প্রযুক্তি এতটা আধুনিক ছিল না বা ইন্টারনেট শক্তিশালী ছিল না, কিন্তু ২০০২ সালের তালিকাকে পুরোটাই অনলাইনে করেছে নির্বাচন কমিশন। (2002 Voter List Name Check)

বুথের নাম বা নম্বর না জানলে কী করবেন?

অনেক ক্ষেত্রে একটি ভোটকেন্দ্রে একাধিক বুথ থাকে। ধরা যাক, একটি স্কুলের একাধিক ঘরে ভোটের কাজ চলছে। সেটা মনে রাখা কঠিন। মনে থাকলে, সরাসরি সেখানে গিয়ে খুঁজে নিন। যদি মনে না থাকে, তবে আপনাকে সংশ্লিষ্ট ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সবকটি কক্ষের তালিকাই ডাউনলোড করে খুঁজতে হবে।

সতর্ক থাকুন এই বিষয়গুলিতে

পুরোনো ভোটার তালিকা খোঁজার সময় বর্তমান প্রশাসনিক এবং নির্বাচনী সীমানার পরিবর্তনগুলি জেনে নিন। নয়তো আপনি নাম খুঁজে পাবেন না।

অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভোটার কার্ড

অবিভক্ত জেলার নাম

পশ্চিমবঙ্গে সেই সময়কার জেলার নাম অনুযায়ী আপনাকে তালিকা খুঁজতে হবে। ২৩ বছর আগে রাজ্যের বেশ কিছু জেলা ছিল অবিভক্ত। এখন সেই জেলাগুলি ভেঙে নতুন জেলার সৃষ্টি হয়েছে।

এক কথায় বলতে গেলে আপনাকে ইতিহাসের পাতায় ঢুঁ মারতে হবে।

আর নয় দালালচক্র, নিজেই আবেদন করে বানিয়ে নিন ড্রাইভিং লাইসেন্স

কলকাতার ক্ষেত্রে লোকসভা কেন্দ্রের ভাগ

কলকাতা শহরের ক্ষেত্রে ছবিটা আলাদা। তালিকায় থাকবে:

অতীতে কলকাতায় এই তিনটে লোকসভা আসন ছিল। এখন সেটা দুটি।

২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন

বন্ধ হয়ে যাওয়া বিধানসভা কেন্দ্র

এখন অনেক বিধানসভার অস্তিত্ব নেই। অর্থাৎ, ২০০২ সালে যেই যেই বিধানসভা ছিল, তার মধ্যে অনেকগুলো এখন নেই।

উদাহারণ: ২৩ বছর আগে কলকাতা উত্তর-পশ্চিম লোকসভার অধীনে বড়বাজার, জোড়াবাগান, বউবাজার, তালতলা বিধানসভা ছিল। এখন সেগুলি নেই। ফলে এটাও মাথায় রাখুন। বিভিন্ন জেলায় এই ধরনের বিধানসভা আছে।

সব নিয়ম মানার পরেও যদি আপনি ভোটার তালিকায় নাম না পান, তবে আপনাকে কমিশনের বলে দেওয়া পন্থা অনুযায়ী ১১টি নথি বা আধার কার্ড জমা দিয়ে নাম তোলার জন্য আবেদন করতে হবে।

২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে কোন কোন ১১টি নথি জমা দিতে হবে? (SIR Documents List West Bengal)

  1. রাজ্য বা কেন্দ্র সরকারের কর্মচারী বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী হলে তার পরিচয়পত্র
  2. আপনার নামে ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের কোনও পরিচয়পত্র/সার্টিফিকেট/ডকুমেন্ট যা ভারত সরকার বা রাজ্য সরকার দিয়েছে। ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস, এলআইসির নথিও গ্রাহ্য হবে।
  3. জন্মের শংসাপত্র।
  4. ভারতের পাসপোর্ট।
  5. স্বীকৃত বোর্ড বা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া শিক্ষা সংক্রান্ত শংসাপত্র। মাধ্যমিকের সার্টিফিকেটও গ্রহণযোগ্য। যেখানে আপনার জন্মের সাল, তারিখ উল্লেখ রয়েছে।
  6. রাজ্যের দেওয়া পার্মানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেট।
  7. বনাঞ্চলে যাঁরা থাকেন, তাঁদের ক্ষেত্রে বন অধিকার শংসাপত্র।
  8. ওবিসি/এসসি/এসটি বা অন্য কোনও কাস্টের হলে কাস্ট সার্টিফিকেট।
  9. জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা NRC (যেখানে চালু হয়েছে)।
  10. রাজ্য সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের তৈরি ফ্যামিলি রেজিস্টার।
  11. সরকারের দেওয়া জমির নথি, বাড়ির নথি। অর্থাৎ দলিল, পরচা।

ফলে হাতে সময় থাকতেই কাজগুলো সেরে ফেলুন। শেষের দিকে করলে সমস্যায় পড়তে পারেন। (SIR Documents List West Bengal)

কী হবে ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে?

আপনি ভোট দিতে পারবেন না। যদিও এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন পরিষ্কার করে কিছু জানায়নি।


Unknown Story-কে ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন


Exit mobile version