রাজ্য দেশ বিদেশ খেলা খাবার ও রেসিপি লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও গ্যাজেটস অন্যান্য খবর Utility News

---Advertisement---

Lakshmir Bhandar Online Apply: বাতিল হয়ে গেছে লক্ষ্মীর ভান্ডারের অ্যাপ্লিকেশন? অনলাইনে করুন আবেদন

Published on: September 24, 2025
লক্ষ্মীর ভান্ডার -এর জন্য আবেদন
---Advertisement---

রাজ্যে বর্তমানে একাধিক সরকারি প্রকল্প রয়েছে। কিন্তু সেগুলোর মধ্যে যেটা সবচেয়ে জনপ্রিয় সেটা লক্ষ্মীর ভান্ডার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের ১০০০ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণার পর থেকে এখানে নাম নথিভুক্ত করতে ভিড় করেছেন মহিলারা। তবে অনেকেই এখনও এটির বাইরে রয়েছেন। আবেদন করলেও তা বাতিল হয়ে গেছে। কীভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন? জেনে নিন এই প্রতিবেদনে-

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি সাড়া জাগানো প্রকল্প হলো লক্ষ্মীর ভান্ডার। রাজ্যের প্রাপ্তবয়স্ক মহিলাদের স্বাবলম্বী করাই হলো এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। যেসব মহিলারা আয় করেন না, তাদের যাদের কারও মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে না হয় সেই জন্য সরকার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সবার হাতে তুলে দেয় এই টাকা।

লক্ষ্মীর ভান্ডারে কত টাকা পাওয়া যায়?

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে রাজ্যের ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী প্রতিটি মহিলাকে মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এই প্রকল্পের দুটি প্রধান ক্যাটাগরি রয়েছে:

সাধারণ ক্যাটিগরি: এই ক্যাটিগরির মহিলারা প্রতি মাসে ১০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পান। জেনারেল কাস্টের মহিলারা এর অন্তর্গত।

তফসিলি জাতি ও উপজাতি SC এবং ST: যাদের কাছে SC এবং ST সার্টিফিকেট আছে তাঁরা মাসে ১২০০ টাকা করে পান। শুরুতে অফলাইনে আবেদন করা যেত, বর্তমানে এটা অনলাইনেও আবেদন করা যায়।

Driving License Online Apply: আর নয় দালালচক্র, নিজেই আবেদন করে বানিয়ে নিন ড্রাইভিং লাইসেন্স

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের জন্য কারা আবেদন করতে পারবেন, শর্ত কী?

  • পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
  • আবেদনকারীর পরিবারের কোনও সদস্যের সরকারি চাকরি বা সরকারি পেনশন পেলে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
  • আবেদনকারীর যদি কোনও সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত বা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক চাকরিও করে থাকেন, তাহলেও তিনি আবেদন করতে পারবেন না।
  • আবেদনকারীর স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকতে হবে, আবেদনের সময় এই কার্ডটা লাগবে।

অনলাইনে লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য আবেদনের পদ্ধতি (Lakshmir Bhandar Online Apply)

  • প্রথমে অনলাইনে আপনাকে ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। সেটার জন্য এখানে ক্লিক করুন
  • এই ফর্মে আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নম্বর, আধার কার্ড নম্বর এবং মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
  • এরপর আপনাকে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেইলস দিতে হবে। যেমন – ব্যাঙ্কের নাম, শাখার নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং IFSC কোড।
  • মনে রাখবেন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আপনার নামে হতে হবে, জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট হলে হবে না। অন্যদিকে সরকারি বা বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট হতে হবে। কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক হলে হবে না। অ্যাকাউন্টটা সক্রিয় থাকতে হবে, যেমন লেনদেন করতে হবে।
Lakshmir Bhandar Online Apply
মহিলাদের মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয়

এবার আপনার নিচে দেওয়া ডকুমেন্টসগুলো দিতে হবে-

  • আধার কার্ডের কপি
  • স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের কপি
  • ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথম পাতার কপি (যেখানে আপনার নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, IFSC কোড স্পষ্টভাবে দেখা যায়)
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • বয়সের প্রমাণপত্র (যেমন জন্ম শংসাপত্র, ভোটার কার্ড বা স্কুল সার্টিফিকেট)
  • তফসিলি জাতি/উপজাতির সার্টিফিকেট

প্রতিটার জ়েরক্স করে ফর্মের সঙ্গে দিতে হবে।

ফর্ম বর্তমানে অনলাইনে জমা দেওয়া যাচ্ছে না। আপনাকে সেটার জন্য দুয়ারে সরকার ক্যাম্প, BDO, SDO, পৌরসভা, পঞ্চায়েতে জমা দিতে হবে। সেখানে ফর্মটা আপনার থেকে নেওয়ার পর আপনাকে ওরা একটা কাগজ দেবে, যেখানে একটি আইডি থাকবে। সেটা পরে আপনার কাজে লাগবে।

লক্ষ্মীর ভান্ডার অ্যাকাউন্ট কতদিনে খোলে?

এটার কোনও নির্দিষ্ট দিন নেই। সরকারের হাতে পুরোটা। কোনও সময়ে একমাস লাগতে পারে, আবার অনেক সময়ে তারও বেশি সময় লাগতে পারে। পুরোটাই নির্ভর করে সেই সময়ে সরকারি ছুটি, নির্বাচন আছে কি না তার উপর।

Voter Card Correction Online: 5 মিনিটে বাড়ি বসেই করে নিন ভোটার কার্ড সংশোধন, রইল Step-by-Step গাইড

লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা ঢুকেছে কি না দেখবেন কী করে? (Lakshmi Bhandar Balance Check Online)

আবেদন জমা দেওয়ার পরের প্রশ্ন টাকা ঢুকেছে কি না।

প্রথম উপায়: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট চেক

সবচেয়ে সহজ উপায় হলো আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পাসবুক আপডেট করুন। ব্যাঙ্কে গিয়ে আপনার পাসবুক দিলেই আপডেট করে দেবে, তখন দেখে নেবেন।

দ্বিতীয় উপায়: SMS অ্যালার্ট

এখন প্রতিটা ব্যাঙ্কে বিনামূল্যে SMS পরিষেবা দেয়। আপনার অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা ঢুকলে আপনি ফোনে মেসেজ পেয়ে যাবেন। এর জন্য আপনার ফোনে রিচার্জ থাকতে হবে।

তৃতীয় উপায়: অনলাইন পোর্টাল

কিছু ক্ষেত্রে, আপনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লক্ষ্মীর ভান্ডার পোর্টালে আপনার অ্যাপ্লিকেশন আইডি এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে দেখতে পারেন আপনার আবেদনের আপডেট। যদিও এটা সবসময় কাজ করে না।

লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি (How to Open Bank Account for Lakshmi Bhandar)

অনেকেরই প্রশ্ন থাকে যে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা কি সাধারণ ব্য়াঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে? উত্তর, হ্যাঁ। তবে আপনার অ্যাকাউন্ট সেভিংস হতে হবে। এবং সেটা সক্রিয় হতে হবে। তবে যদি আপনার কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকে, তাহলে একটি খোলা জরুরি। জেনে নিন কীভাবে ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট খুলবেন-

প্রয়োজনীয় নথি

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যা যা নথি লাগবে-

  1. আধার কার্ড
  2. প্যান কার্ড
  3. পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  4. ঠিকানার প্রমাণ (যেমন – ভোটার কার্ড বা বিদ্যুৎ বিল)

এ বার এগুলো নিয়ে আপনার বাড়ির কাছে কোনও ব্যাঙ্কে যান। (যেমন – SBI, HDFC, Bandhan Bank, Bank of Baroda ইত্যাদি)।
ব্যাঙ্ক থেকে একটি অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্ম নিন এবং এটি ফিলআপ করুন।
পূরণ করা ফর্ম এবং প্রয়োজনীয় নথিগুলো ব্যাঙ্কে জমা দিন।

এর পর ব্যাঙ্ক থেকে আপনাকে একটি কাগজ দেবে এবং বলে দেবে কবে যেতে হবে। সেই দিনে গিয়ে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বর ও পাসবুক নিয়ে নিন।

lakshmir bhandar apply
দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের জন্য লাইন

গুরুত্বপূর্ণ টিপস:

অ্যাকাউন্ট খোলার সময় অবশ্যই আপনার মোবাইল নম্বর দেবেন। সেই নম্বরটাই রাখবেন, পরে বদলে ফেলবেন না। এতে আপনারই সমস্যা। ব্যাঙ্কের সঙ্গে যেন আধার কার্ড লিঙ্ক করা থাকে, না হলে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বন্ধ হতে পারে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার সময়ে জ়িরো ব্যালান্স অ্যাকাউন্ট খুলুন, এতে আপনাকে ন্যূনতম কোনও টাকা রাখতে হবে না অ্যাকাউন্টে।

তাই আর দেরি না করে লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য আবেদন করে ফেলুন। উপরে যেই যেই স্টেপগুলো লেখা আছে, সেগুলো মেনে চললেই আপনি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। মনে রাখবেন, লক্ষ্মীর ভান্ডারের আবেদন করতে কোনও টাকা লাগে না। ফর্মও বিনামূল্যে।


Unknown Story-কে ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন


FAQ

লক্ষ্মীর ভান্ডারের অ্যাকাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?

আধার কার্ডের কপি
স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের কপি
ব্যাঙ্ক পাসবুকের প্রথম পাতার কপি (যেখানে আপনার নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, IFSC কোড স্পষ্টভাবে দেখা যায়)
পাসপোর্ট সাইজের ছবি
বয়সের প্রমাণপত্র (যেমন জন্ম শংসাপত্র, ভোটার কার্ড বা স্কুল সার্টিফিকেট)
তফসিলি জাতি/উপজাতির সার্টিফিকেট

টাকা ঢুকেছে কি না দেখবেন কী করে?

ব্যাঙ্কে গিয়ে পাসবুক আপডেট করুন, ব্যাঙ্কের SMS এসেছে কি না দেখুন।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে কী কী লাগে?

আধার কার্ড
প্যান কার্ড
পাসপোর্ট সাইজের ছবি
ঠিকানার প্রমাণ (যেমন – ভোটার কার্ড বা বিদ্যুৎ বিল)



Discover more from Unknown Story

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

---Advertisement---

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Reply